বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

সর্বশেষ
শ্রীনগরে আর্থিক কষ্টে মৃৎশিল্পীরা সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চলছে দোয়া ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ উৎসবানন্দে নিঃশঙ্ক চিত্ত জেলার সর্ববৃহৎ বালিগাঁও বাজারে মানুষের উপচে পরা ভির মে পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারে ৫০ হাজার মানুষ জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিত মুন্সীগঞ্জে চঙ্গ তৈরি করার কারনে পুরো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তন কোভিড-১৯ মোকাবেলা চ্যালেঞ্জিং, তবে অসম্ভব নয় - মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন সংবাদকর্মীরাঃ মৃনাল কান্তি দাস প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতীয়মানের এখনই সুযােগঃআবু বকর সিদ্দিক শ্রীনগরে নার্সারীতে বাহারী আমের বাম্পার ফলন বসল পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যানঃ দৃশ্যমান ৪ হাজার ৩৫০ মিটার করোনা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে যে সকল গণমাধ্যমকর্মীরা.. জেলার ৭৪টি হিমাগার ৪০ ভাগ ফাঁকা-৮০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় মুন্সীগঞ্জে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চলছে চাঁই তৈরীর ধুম ২ মিনিটেই মারা যাবে করোনা ভাইরাস নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছেঃ পৌর মেয়র বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা ৯৮ সালে প্রলয়ংকারী বন্যা মোকাবেলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেনঃমহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিদিন জীবানু নাশক পনি ছিটান অব্যাহত গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া সবাই ঢাকার আড়িয়ল বিলের মিষ্টি কুমড়া সবচেয়ে সেরা জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ফাঁকা মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের নানা আয়োজন মধুচাষে লোকসান টঙ্গীবাড়ীতে ১০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান টিসিবি`র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না
১৬১

টঙ্গিবাড়ীঃ করোনা কেড়েছে চাকুরী, পদ্মা কাড়ছে বাড়িঘর

প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২০  

রিয়াদ হোসাইন :বাবার ছায়া মাথার উপর থেকে হারিয়ে গেছে জাকিরের অনেক আগেই। তারপর বড় ভাইদের ছায়ায় ছিলেন কিছুদিন। একে একে বড় তিন ভাই বিয়ে করে আলাদা আলাদা সংসার গড়েছেন। বৃদ্ধা মাকে নিয়ে এক সংসারে রয়ে গেছেন জাকির। ঢাকার আবদুল্লাহপুরে শ্রী নাথ সুয়েটার ফেক্টোরিতে কাজ করতো জাকির হোসেন (২০)। যা আয় হতো তা দিয়ে মা-ছেলের এক রকম কেটে যাচ্ছিলো জীবন। কিন্তু করোনার কারণে হঠাৎ কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন জাকির। বাধ্য হয়ে চলে আসেন গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সরিষাবন গ্রামে। জাকিরের দীর্ঘ ৪ মাস কাজ না থাকায় ধারদেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েন। আসা ছিলো ফেক্টরি খুললেই সব ধারদেনা পরিশোধ করে দিবে সে। কিন্তু হঠাৎ করে রাক্ষুসে পদ্মার ভাঙন শুরু হওয়ায় এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা নেমে আসে তার উপরে। জাকিরের ঘরের পাশেই কলকল রবে বয়ে যাচ্ছে পদ্মা। একের পর এক মাটির স্তুপ ভেঙে পড়ছে নদীতে। তার বসত ভিটাটি ছুঁই ছুঁই করছে, এখন শুধুই বিষন্নতা। হাতে কানাকড়িও নেই। তাই আত্মীয় স্বজন আর প্রতিবেশীদের ডেকে ঘর ভেঙে জড়ো করছেন রাস্তার উপরে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাক্ষুসে পদ্মার হাত হতে দু-চালের দুটি ঘর অন্যত্র সড়াতে প্রাণপ্রান চেষ্টা করছে জাকির। একটিতে তার মা অপরটিতে ঢাকা হতে ফিরে মাঝে মধ্যে থাকতো সে। বেশ কয়েকবার নদী ভাঙনে সব হাড়িয়ে জমি ভাড়া নিয়ে এই স্থানটিতে ১০ বছর যাবত বসবাস করে আসছে তার পরিবার। তার শেষ সম্বল ঘর দুটি রাক্ষুসে পদ্মার হাত হতে বাঁচাতে দ্রুত কাজ করছে সে। আর তাকে এ কাজে স্বেচ্ছায় সহযোগীতা করছেন প্রতিবেশী মামুন, ফারুক, রাসেল, ইয়াছিন,মামা শুক্কুর আলিসহ অনেকে। সাথে তার বৃদ্ধ মা ফাতেমা বেগম ও বোন সেফালি বেগমও কাজ করছে। জাকির হোসেন জানান, করোনার পর চাকুরী চলে যাওয়ায় মাকে নিয়ে অনাহারে অদাহারে ছিলাম। এখন নদীর ভাঙনে ভিটি দুইটি চলে যাইতেছে। কোথায় থাকমু জানিনা। আপাতত ঘর দুটি রাস্তার উপর নিয়া রাখছি। ঘর ভাঙার পর ঘরের আগের খাম খুঁটি আর ভাল থাকেনা ওলু আর মাটি খেয়ে ফেলে। নতুন করে ঘর দুটি তুলতে কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা প্রয়োজন। এখন কোথায় থাকমু বলতে পারছিনা।
এই বিভাগের আরো খবর