বুধবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

সর্বশেষ
শ্রীনগরে আর্থিক কষ্টে মৃৎশিল্পীরা সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চলছে দোয়া ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ উৎসবানন্দে নিঃশঙ্ক চিত্ত জেলার সর্ববৃহৎ বালিগাঁও বাজারে মানুষের উপচে পরা ভির মে পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারে ৫০ হাজার মানুষ জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিত মুন্সীগঞ্জে চঙ্গ তৈরি করার কারনে পুরো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তন কোভিড-১৯ মোকাবেলা চ্যালেঞ্জিং, তবে অসম্ভব নয় - মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন সংবাদকর্মীরাঃ মৃনাল কান্তি দাস প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতীয়মানের এখনই সুযােগঃআবু বকর সিদ্দিক শ্রীনগরে নার্সারীতে বাহারী আমের বাম্পার ফলন বসল পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যানঃ দৃশ্যমান ৪ হাজার ৩৫০ মিটার করোনা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে যে সকল গণমাধ্যমকর্মীরা.. জেলার ৭৪টি হিমাগার ৪০ ভাগ ফাঁকা-৮০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় মুন্সীগঞ্জে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চলছে চাঁই তৈরীর ধুম ২ মিনিটেই মারা যাবে করোনা ভাইরাস নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছেঃ পৌর মেয়র বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা ৯৮ সালে প্রলয়ংকারী বন্যা মোকাবেলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেনঃমহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিদিন জীবানু নাশক পনি ছিটান অব্যাহত গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া সবাই ঢাকার আড়িয়ল বিলের মিষ্টি কুমড়া সবচেয়ে সেরা জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ফাঁকা মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের নানা আয়োজন মধুচাষে লোকসান টঙ্গীবাড়ীতে ১০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান টিসিবি`র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না
৩৪

বাণিজ্যিক চাষের নতুন সম্ভাবনা ড্রাগন ফল

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

তুষার আহাম্মেদ- 

ড্রাগন ফলের আবাদ বাড়ছে মুন্সীগঞ্জে । জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাপুর ,মান্দ্রা ও লৌহজং উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রাগন ফলের বাণিজ্যিক চাষের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ড্রাগন ফলের গাছ একটি ক্যাকটাস প্রজাতির উদ্ভিদ। চারা রোপণের দুই বছরের মধে ফলন আসে। বিভিন্ন রঙের ড্রাগন পাওয়া গেলেও লাল রঙের ফল বেশি জনপ্রিয়। এর আদি নিবাস মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা। এখন পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আবাদ হচ্ছে। ড্রাগন ফল এক ধরনের ফণীমনসা প্রজাতির ফল। ডিম্বাকৃতির উজ্জ্বল গোলাপি রঙের ড্রাগন ফলের দাম বেশি হলেও এর স্বাস্থ্য উপকারিতা চমকে ওঠার মতো।বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে বিদেশি এই ফল জনপ্রিয়তা লাভ করছে। অনেকে এই ফল চাষ করে স্বাবলম্বীও হয়েছেন। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ড্রাগন ফল গাছ। সবুজ গাছে শোভা পাচ্ছে গোলাপি, লাল আর সবুজ ফল। স্বপ্নীল পরিপাটি এ বাগানটি গড়ে তুলেছেন  সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের মধ্যপারা  গ্রামের রশিদ সিকদার ।নিজের পতিত অনাবাদি জমিতে বিদেশি ফলের চাষ করে সফলতা দেখছেন তিনি। বাগান সংরক্ষণ কারী আলী  হোসেন বলেন, প্রথম দফায় তার বাগানে ড্রাগন গাছের কাটিং চারা রোপনের উপযোগি মাটি তৈরি করে। পরে দুই হাজার পিস ড্রাগন ফলের গাছ রোপন করে। দ্বিতীয় দাফায় পরিচর্যা শুরু করে, সিমেন্টের খুটিতে চার থেকে পাচটি করে গাছ প্যাঁচিয়ে দেয়। এতে করে একটি করে ড্রাগন ফলের জোপ তৈরি হয়। তিনি প্রতি কেজি ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে। চলতি সিজনে তিনি ২০০কেজি ড্রাগন ফল বিক্রি করেছেন। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় লক্ষ টাকা হবে। তিনি আরও বলেন আগামী বছর তার বাগানের গাছ ফলনের পরিপক্কতা হবে। এতে করে উক্ত বাগানের প্রতিটি জোপ থেকে ২৫থেকে ৩০ কেজি ফলন হতে পারে। এতে করে ৫৫ থেকে ৬০ হাজার কেজি ফলন হবে । এতে বালাই ব্যবস্থাপনা ভালো থাকলে ২০ বছর পর্যন্ত ফলন আসতে থাকবে। ড্রাগন বাগানে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি ড্রাগন ঝোপ আর প্রতিটি ঝোপে চার থেকে পাঁচটি করে বিভিন্ন আকার-আকৃতির লতানো গাছ। প্রতিটি গাছে শোভা পাচ্ছে বাংলাদেশের মাটিতে বিদেশি ফুল ও ফলের বাহারি সাজ। ড্রাগন গাছ থেকে ফুল ও ফল হওয়ার আগ পর্যন্ত কঠোর নিরীক্ষণের মাঝে রাখতে হয় এবং ফল পরিপক্ক হয়ে গেলে নির্দিষ্ট সময় তা সংগ্রহ করে বাজারজাত করতে হয়। ক্ষেতের এক একটি ড্রাগন ফল ৬০০-৮০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের হয়। বাগান থেকে প্রতি কেজি ড্রাগন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। ড্রাগন চাষি রশিদ জানান, নিজ উদ্যোগে তৈরি করেছেন পিংক রোজ জাতের ড্রাগন ফলের বাগান। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়াতে দেখে অতি উৎসাহি হন তিনি। দীর্ঘদিনের ইচ্ছাশক্তি থেকে নিজ প্রয়াসে এক বছরের আগে থেকে তার পতিত অনাবাদি জমিতে পরিক্ষা মূলক এক একর জমির উপর ভালো মানের ড্রাগন গাছের কাটিং সংগ্রহ করে রোপন করে। এতে এক সময় পরিপূর্ণ ফলের বাগানে রুপ নেয়। এই ড্রাগন চাষেই নিজে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি নিজের উপজেলায় ড্রাগন চাষের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখছেন তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর