রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

সর্বশেষ
শ্রীনগরে আর্থিক কষ্টে মৃৎশিল্পীরা সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চলছে দোয়া ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ উৎসবানন্দে নিঃশঙ্ক চিত্ত জেলার সর্ববৃহৎ বালিগাঁও বাজারে মানুষের উপচে পরা ভির মে পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারে ৫০ হাজার মানুষ জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিত মুন্সীগঞ্জে চঙ্গ তৈরি করার কারনে পুরো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তন কোভিড-১৯ মোকাবেলা চ্যালেঞ্জিং, তবে অসম্ভব নয় - মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন সংবাদকর্মীরাঃ মৃনাল কান্তি দাস প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতীয়মানের এখনই সুযােগঃআবু বকর সিদ্দিক শ্রীনগরে নার্সারীতে বাহারী আমের বাম্পার ফলন বসল পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যানঃ দৃশ্যমান ৪ হাজার ৩৫০ মিটার করোনা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে যে সকল গণমাধ্যমকর্মীরা.. জেলার ৭৪টি হিমাগার ৪০ ভাগ ফাঁকা-৮০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় মুন্সীগঞ্জে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চলছে চাঁই তৈরীর ধুম ২ মিনিটেই মারা যাবে করোনা ভাইরাস নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছেঃ পৌর মেয়র বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা ৯৮ সালে প্রলয়ংকারী বন্যা মোকাবেলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেনঃমহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিদিন জীবানু নাশক পনি ছিটান অব্যাহত গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া সবাই ঢাকার আড়িয়ল বিলের মিষ্টি কুমড়া সবচেয়ে সেরা জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ফাঁকা মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের নানা আয়োজন মধুচাষে লোকসান টঙ্গীবাড়ীতে ১০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান টিসিবি`র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না
২২৩

বিক্রমপুরের নীল চাষের ইতিহাস

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২০  

শেখ রাসেল ফখরুদ্দীন : বাংলার ইতিহাস পাঠ করে দেখা যায় ব্রিটিশ আমলে বিক্রমপুরে নীল চাষ করা হতো । ইংরেজরা সমগ্র ভারতের ন্যায় বঙ্গের ফসলি জমিতে নীল চাষ করতে বাধ্য করে। ব্রিটিশ সরকার বিক্রমপুরে অন্তত দুটি ফসলিধানের বিল নীল চাষের আওতায় আনে। 

জানা যায়, ঐ দুটি বিলে ততৎকালীন সময়ে খুব উচ্চ ফলনশীল দেশি আউশ, আমন ও বোরো ধান উৎপন্ন হতো। ১৮০১ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা যায় , ঢাকা জেলায় দুটি নীল কুঠি ছিল। যার একটি ছিল বিক্রমপুরের টঙ্গিবাড়ী অন্তর্গত সেরাজাবাদ পুরুয়া( বর্তমানে গ্রামের নাম পুরা) এলাকায়। ঢাকার ইতিহাস অধ্যায়ন করে দেখা যায় , রাজানগর ও সেরাজাবাদ এলাকায় নীল চাষ হতো। এছাড়াও ১৮০১ সালের পর হতে বিক্রমপুরের বড় কেওয়ারের বিলে নীল চাষ হতো।১৮৩৩ খ্রি: সমগ্র ঢাকা জেলায় ৩১টি নীলকুঠি নির্মাণ হয়েছিল। প্রতি বছর গড়ে শুধু ঢাকা, বিক্রমপুর, রাজনগর, সাভার ও ইছাপুরা হতে ২ হাজার ৫শ মন নীল উৎপাদন হতো। নীলকরনের পাশবিক অত্যাচারে অনেক কৃষক সর্বশান্ত হয়েছে। তবে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের পর ধীরে ধীরে বিক্রমপুর থেকে নীল চাষের বিলুপ্তি

ঘটে। পরবর্তিতে এ সকল জমিতে ধান, গম, তিল, কাউন, পাট চাষ শুরু হয়। ১৯৪৭ সালের পর বিক্রমপুরে আলু চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। 

এই বিভাগের আরো খবর