রোববার   ২৮ নভেম্বর ২০২১

সর্বশেষ
শ্রীনগরে আর্থিক কষ্টে মৃৎশিল্পীরা সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চলছে দোয়া ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ উৎসবানন্দে নিঃশঙ্ক চিত্ত জেলার সর্ববৃহৎ বালিগাঁও বাজারে মানুষের উপচে পরা ভির মে পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারে ৫০ হাজার মানুষ জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিত মুন্সীগঞ্জে চঙ্গ তৈরি করার কারনে পুরো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তন কোভিড-১৯ মোকাবেলা চ্যালেঞ্জিং, তবে অসম্ভব নয় - মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন সংবাদকর্মীরাঃ মৃনাল কান্তি দাস প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতীয়মানের এখনই সুযােগঃআবু বকর সিদ্দিক শ্রীনগরে নার্সারীতে বাহারী আমের বাম্পার ফলন বসল পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যানঃ দৃশ্যমান ৪ হাজার ৩৫০ মিটার করোনা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে যে সকল গণমাধ্যমকর্মীরা.. জেলার ৭৪টি হিমাগার ৪০ ভাগ ফাঁকা-৮০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় মুন্সীগঞ্জে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চলছে চাঁই তৈরীর ধুম ২ মিনিটেই মারা যাবে করোনা ভাইরাস নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছেঃ পৌর মেয়র বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা ৯৮ সালে প্রলয়ংকারী বন্যা মোকাবেলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেনঃমহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিদিন জীবানু নাশক পনি ছিটান অব্যাহত গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া সবাই ঢাকার আড়িয়ল বিলের মিষ্টি কুমড়া সবচেয়ে সেরা জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ফাঁকা মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের নানা আয়োজন মধুচাষে লোকসান টঙ্গীবাড়ীতে ১০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান টিসিবি`র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না
১৯

সর্দারপাড়া খালের করুণ আর্তনাদ

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০২১  

তুষার আহাম্মেদ -

সদর উপজেলার সর্দারপাড়া খালে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে খালে জমে থাকা পানি থেকে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, শুধুমাত্র বর্ষার সময়ে খালটিতে পানির আগমন ঘটে। তাছাড়া সারাবছর খালটিতে স্থানীয়রা সকল প্রকার ময়লা আবর্জনা ফেলে খালটিকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেন। সারাবছর জোয়ার ভাটার আগমন না থাকায় খালটি পড়ে থাকে পরিত্যক্ত অবস্থায়। 

জানাগেছে, কাটাখালি খালের সাথে সংযুক্ত এই খালটি সর্দারপাড়া, গণকপাড়া হয়ে উত্তর দিকে নতুনগাঁও, এবং নয়াগাঁও পশ্চিমপাড়া হয়ে ধলেশ্বরী নদীতে মিলিত হয়েছে। খালটির কাটাখালি খালের সাথে সংযুক্ত এই খালটির সর্দারপাড়া সীমানা পর্যন্ত ঝাড়-জঙ্গলে পূর্ণ। বিলের পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে খালে থাকা পানিগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও খালটির নতুনগাঁও এলাকা খালটির গতিপথ ভরাট হয়েছে বহু বছর আগে। সেখান থেকে নয়াগাঁও এলাকায়ও খালটি দখল দূষণের কারণে পরিত্যক্ত জলাভূমিতে পরিণত হয়েছে। খালের প্রবেশ মুখে নাব্যতা, বছরের পর বছর উজান থেকে আসা পলি আর ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে খালটি এখন অস্তিত্ব সংকটে।  খালটি খননে কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় বর্তমানে খালটিতে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, খালটির দু’পাশের বাসিন্দারা বাড়ী-ঘরের ময়লা-আবর্জনা খালে ফেলছেন। বিভিন্ন স্থানে খালের তীরে থাকা ময়লার স্তুপ থেকে ভাটার পানির সাথে আবর্জনা খালটি দিয়ে ভেসে যাচ্ছে। ময়লা আবর্জনার কারণে খালের পানি নষ্ট হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। 

স্থানীয় আমজাদ শেখ বলেন, খালটি খনন না করায় পলি জমে অচলবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সারাবছর খালটিতে পানি থাকেনা। বর্ষার সময়ে খালে জোয়ারের পানি আসে। কিন্তু শুকনো মৌসুমে খালটি শুকনো থাকে। বর্তমানে জমির পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে খালের পানিও কমে যাচ্ছে। ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে খালের পানি নষ্ট হয়ে সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। 

স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলছেন, খালটি খনন করার পাশাপাশি খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকরি ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর