সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১

সর্বশেষ
শ্রীনগরে আর্থিক কষ্টে মৃৎশিল্পীরা সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চলছে দোয়া ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ উৎসবানন্দে নিঃশঙ্ক চিত্ত জেলার সর্ববৃহৎ বালিগাঁও বাজারে মানুষের উপচে পরা ভির মে পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারে ৫০ হাজার মানুষ জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিত মুন্সীগঞ্জে চঙ্গ তৈরি করার কারনে পুরো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তন কোভিড-১৯ মোকাবেলা চ্যালেঞ্জিং, তবে অসম্ভব নয় - মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন সংবাদকর্মীরাঃ মৃনাল কান্তি দাস প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতীয়মানের এখনই সুযােগঃআবু বকর সিদ্দিক শ্রীনগরে নার্সারীতে বাহারী আমের বাম্পার ফলন বসল পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যানঃ দৃশ্যমান ৪ হাজার ৩৫০ মিটার করোনা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে যে সকল গণমাধ্যমকর্মীরা.. জেলার ৭৪টি হিমাগার ৪০ ভাগ ফাঁকা-৮০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় মুন্সীগঞ্জে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চলছে চাঁই তৈরীর ধুম ২ মিনিটেই মারা যাবে করোনা ভাইরাস নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছেঃ পৌর মেয়র বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা ৯৮ সালে প্রলয়ংকারী বন্যা মোকাবেলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেনঃমহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিদিন জীবানু নাশক পনি ছিটান অব্যাহত গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া সবাই ঢাকার আড়িয়ল বিলের মিষ্টি কুমড়া সবচেয়ে সেরা জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ফাঁকা মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের নানা আয়োজন মধুচাষে লোকসান টঙ্গীবাড়ীতে ১০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান টিসিবি`র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না
১৫

সামারচর খাল গ্রাস করছে কচুরিপানা

প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২১  

তুষার আহাম্মেদ-

সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের সামারচর খালে নাব্যতা সংকটের কারণে চলাচল করতে পারছেনা কোন নৌযান। এক সময়ের জীবন্ত এই খালটি ছিলো স্থানীয় কৃষকসহ এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম। কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণ এবং ফসলি জমির পানি নিষ্কাশনে খালটির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বছরের পর বছর উজান থেকে আসা পলি জমে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। শুকনো মৌসুমে প্রায় পানি শূন্য ছিলো খালটি। বর্তমান সময়ে খালটিতে জোয়ার ভাটার পানি আসলেও খালে গভীরতার অভাবে পানি কম। পাশাপাশি দীর্ঘ খালটির পুরো অংশজুড়ে কচুরিপানার রাজত্ব। বর্তমানে খালটি দিয়ে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত তিল, কাউন, ভূট্টাসহ অন্যান্য কৃষি পণ্য হাটবাজার কিংবা বাড়ীতে নিতে পারছেনা। পরিত্যক্ত জলাভূমিতে পরিণত হয়েছে খালটি। দ্রæত সময়ে খালটি খনন করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়সহ কৃষকরা। 

জানাগেছে, মোল্লাকান্দি এবং কংশপুরা গ্রামের টেকপাড়া এলাকা থেকে খালটি সামারচর হয়ে রাজারচর খালে সংযুক্ত হয়েছে। খালটির আরেকটি গতিপথ দক্ষিণ দিকে গুচ্ছগ্রাম হয়ে রজতরেখা নদীতে মিলিত হয়েছে। এই খাল দিয়ে কৃষকরা শুকনো মৌসুমে কৃষি উপকরণ, বীজ, সার নিয়ে ট্রলার বা নৌকা যোগে জমিতে যেতো। পাশাপাশি উৎপাদিত কৃষি পণ্য চরডুমুরিয়া, পুরাবাজার এবং দিঘিরপাড় হাটে নিয়ে যেতো। প্রায় ৫ বছর আগে এই সময়ে খালটি ছিলো সচল। খালে জমা পলি খনন না করায় খালটি হারিয়েছে গভীরতা। খালে জন্ম নিয়েছে বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ। খালটিকে পুরোপুরো গ্রাস করেছে কচুরিপানা। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, খালটির কংশপুরা টেক থেকে সামারচর পর্যন্ত পুরো খালে এখন কচুরিপানা। খালে জোয়ার ভাটার আগমন থাকলেও পানির গভীরতা কম। নাব্যতা সংকটের কারণে নিয়মিত নৌযান চলাচল না করায় খালটি দিন দিন অচল হয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে খালটি পতিত ডোবা, কোথাও জঙ্গল হয়ে আছে। কংশপুরা টেক থেকে সামারচর গ্রাম পর্যন্ত খালটি এখন কচুরিপানার দখলে। খালটিতে জোয়ার ভাটার আগমনকে গতিশীল রাখতে খনন করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান স্থানীয়রা। তাদের দাবি, খালে জোয়ার ভাটার আগমন স্বাভাবিক থাকলে এভাবে কচুরিপানায় জড়াজীর্ণ হতোনা। নিয়মিত জোয়ার ভাটার আগমন এবং নৌযান চলাচল থাকলে খালটি সেই আগের রূপে ফিরে যেতো। 

স্থানীয় মুরুব্বি আওলাদ মৃধা বলেন, ‘খালের উপর দিয়ে কৃষি পণ্য বাজারে নিয়ে যেতাম। বছরে পর বছর পলি এসে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। এখন গ্রামের মানুষ সড়ক পথে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করলেও কৃষকরা আছেন বেশ বিপাকে। জমিতে সার বীজ নিয়ে যেতে হয় মাথায় করে। আগে জমির কাছে নিয়ে যাওয়া যেতো নৌকা বা ট্রলার দিয়ে। এখন মাথায় বোঝা করে অনেক দূরের পথ আসতে হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘দিন দিন জৌলুস হারাচ্ছে এলাকার খালগুলো। সরকারিভাবে খালগুলোকে খনন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছেনা।’ স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নদী সংযুক্ত খালগুলোর নাবত্য সংকট দূর করতে এখনই কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। খালগুলো হলো কৃষি জমির লাইফ লাইন। কৃষকদের সহায়ক হিসেবে কাজ করে খাল। কিন্তু পলি জমে ভরাট হওয়ার কারণে এসব খালের উপকার ভোগ করতে পারছেনা স্থানীয়সহ কৃষকরা। খালটি খনন করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগী হবেন এমনটাই প্রত্যাশা।

এই বিভাগের আরো খবর