শনিবার   ২৯ জানুয়ারি ২০২২

সর্বশেষ
শ্রীনগরে আর্থিক কষ্টে মৃৎশিল্পীরা সিরাজদিখানে হাজারো মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো টঙ্গিবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে চলছে দোয়া ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ঝুঁকি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ উৎসবানন্দে নিঃশঙ্ক চিত্ত জেলার সর্ববৃহৎ বালিগাঁও বাজারে মানুষের উপচে পরা ভির মে পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হতে পারে ৫০ হাজার মানুষ জেলায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমিত মুন্সীগঞ্জে চঙ্গ তৈরি করার কারনে পুরো একটি গ্রামের নাম পরিবর্তন কোভিড-১৯ মোকাবেলা চ্যালেঞ্জিং, তবে অসম্ভব নয় - মোঃ শফিকুল ইসলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন সংবাদকর্মীরাঃ মৃনাল কান্তি দাস প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতীয়মানের এখনই সুযােগঃআবু বকর সিদ্দিক শ্রীনগরে নার্সারীতে বাহারী আমের বাম্পার ফলন বসল পদ্মা সেতুর ২৯তম স্প্যানঃ দৃশ্যমান ৪ হাজার ৩৫০ মিটার করোনা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে যে সকল গণমাধ্যমকর্মীরা.. জেলার ৭৪টি হিমাগার ৪০ ভাগ ফাঁকা-৮০০ কোটি টাকা লোকসানের শঙ্কা ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী ঝড় মুন্সীগঞ্জে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চলছে চাঁই তৈরীর ধুম ২ মিনিটেই মারা যাবে করোনা ভাইরাস নজরদারি বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছেঃ পৌর মেয়র বিপ্লব মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা ৯৮ সালে প্রলয়ংকারী বন্যা মোকাবেলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেনঃমহিউদ্দিন মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার প্রতিদিন জীবানু নাশক পনি ছিটান অব্যাহত গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া সবাই ঢাকার আড়িয়ল বিলের মিষ্টি কুমড়া সবচেয়ে সেরা জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক ফাঁকা মুন্সীগঞ্জে আওয়ামী লীগসহ প্রশাসনের নানা আয়োজন মধুচাষে লোকসান টঙ্গীবাড়ীতে ১০০ ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে মেধাবৃত্তি প্রদান টিসিবি`র পিয়াজ বিক্রি করতে হেলমেট পরতে হয় না
৪৫

৭০ শতাংশ রেলিং ধ্বসে গেলেও কেউ নজরই দিচ্ছে না

প্রকাশিত: ২৭ ডিসেম্বর ২০২১  

তোফাজ্জল হোসেন শিহাব-

জেলা সদরের মহাখালি ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া বাজার সংলগ্ন প্রধান সড়কে নির্মিত বহু পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করছে হাজারো মানুষ। ব্রিজটির দুপাশে রেলিং সত্তর শতাংশ ধ্বসে গেলেও কারো নজরেই পড়ছে না। ইউনিয়নবাসীর সুবিদার জন্য ব্রিজটি নির্মান করা হলেও ব্রিজটির বর্তমান অবস্থা এখন নাজেহাল। যে কোন সময় মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা  অনেকের। এ দিকে রেলিং ধসে দুর্ঘটনার ইঙ্গিত দিলেও সেদিকে কারো হুশই নেই । তবুও ঝুকিপূর্ণ সেতুতে চলাচল করছে অসংখ্য যানবাহন। চর ডুমুরিয়া বাজারের প্রাইমারি স্কুলের পর থেকে চিতলীয়া বাংলাবাজার সড়কে রয়েছে পুরনো একটি সংযোগ সেতু। মুন্সীগঞ্জ সদর থেকে চিতলীয়া, বাংলাবজার, আদারা ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত এ সড়কটি ব্যবহার করে আসছে। ব্যস্ততম এ সড়কের সংযোগস্থল চরডুমুরিয়া বাজারের পুরনো ব্রিজটি যেন মৃত্যুফা‍দ। ব্রিজটি বহু পুরনো হওয়ায় রেলিং ৭০ শতাংশ ধসে গেছে। রেলিংয়ের রডগুলো বের হয়ে গেছে। একটু অসতর্কতায় ঘটতে পারে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা। কয়েকটি ইউনিয়নের অসংখ্য লোকজন ব্রিজটি ব্যবহার করে সদরে আসা-যাওয়া করে থাকে নিয়মিত। তাছাড়া রাতের বেলায় ব্রিজটিতে কোনো আলোর ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার আশংকা থেকেই যায়। সরেজমিন ব্রিজটির রেলিং দুপাশে ভাঙা চোখে পড়ে। দেখা যায়, ব্রিজের রেলিংয়ের রড বের হয়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটির রেলিং ভেঙে পড়ে থাকলেও সংস্কারে কেউ এগিয়ে আসেনি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধিরা সংস্কার তো দূরের কথা, কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। তাছাড়া কিছুদিন পরপরই ঘটছে ছোট ছোট দুর্ঘটনা। অটো, মিশুক, সিএনজিচালকরা জানান, কয়েক বছর ধরে ব্রিজটি এ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আমাদের কিছু করার নেই। ঝুঁকি নিয়েই আমাদের চলাচল করতে হয়। তাছাড়া ব্রিজটিতে কোনো লাইটের ব্যবস্থাও নেই। দূর থেকে আসা গাড়িগুলোকে দেখতে আমাদের সমস্যা হয়। তাছাড়া অটো, মিশুক সিএনজিতে যাত্রী বেশি থাকে। ব্রিজের রেলিংয়ের বের হয়ে আসা রডগুলো যাত্রীদের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, স্কুলের ছেলে-মেয়েসহ কয়েকটি ইউনিয়নের হাজার হাজার লোক সড়কটি ব্যবহার করে। ব্রিজটি সম্প‍ূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ। রেলিংয়ের যা অবস্থা তাতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অচিরেই ব্রিজটির রেলিংয়ের কাজ করা দরকার। এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ  শফিকুল আহসান জানান, খুব দ্রুতই আমরা ব্রিজটি পরিদর্শনে যাবো। যত দ্রুত সম্ভব ধ্বসে যাওয়া অংশ গুলো মেরামত করে দূর্ঘটনা রোধ ও  চলাচল উপযোগি করে তোলা হবে

এই বিভাগের আরো খবর